ছাতক থেকে সিলেট নিউজ বিডি: ছাতকে রোপা-আমন চাষের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আষাঢ়ের বন্যার পানি ধীরে ধীরে যতোই হাওর থেকে নামছে ততোই বীজতলা তৈরিতে বাড়ছে কৃষকদের ব্যস্ততা। গত বছর আমন মৌসুমের শুরুতে বন্যায় এ উপজেলার রোপা-আমনের বীজতলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এখানকার কৃষক-কৃষাণিরা এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। পুরো উপজেলাজুড়ে এখন এমনি চিত্র চোখে পড়ছে।
স্থানীরা জানান, উপজেলার বেশির ভাগ জমিতে বোরো আবাদ হয়ে থাকে। অল্প জমিতে আমন চাষাবাদ করা হয়। বোরো ঝুঁকিপূর্ণ ফসল। সম্পূর্ণ প্রকৃতি নির্ভর এই ফসলটি প্রায়ই আগাম বন্যায় ডুবে যায়। আমন অনেকটা নিরাপদ। তাই আমন রোপনে কৃষকরা একটু বেশি আগ্রহী।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারে রোপা-আমানের বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬শ’ হেক্টর এবং আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১২হাজার হেক্টর।
সিংচাপইড় ইউনিয়নের সিংচাপইড় গ্রামরে কৃষক ইনসান আলী জানান, আমন মৌসুমে তিনি ৭ বিঘা জমি চাষাবাদ করবেন। তারই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তিনি বীজতলা তৈরি করে ফেলেছেন। অপ্রত্যাশিত কোনো বন্যার মুখোমূখি না হলে ২০ থেকে ২৫দিন পর বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে লাগাবেন। আরেক কৃষক একই গ্রামের লুৎফুর রহমান জানান, আমন মৌসুমে তিনি ১০-১২ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করবেন। এরজন্য তিনি ১বিঘা জমিতে বীজ বপন করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম বদরুল হক জানান, হাওরে বন্যার পানি থাকার কারনে বীজতলা তৈরিতে কৃষকদের কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় দেড়শ’ হেক্টর জমিতে বীজ বপন করা হয়েছে।
Sylhetnewsbd Online News Paper