ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লোকবল সংকটে স্থবির হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কার্যক্রম। জানা যায়, ছাতক উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা মোট ১৮৪টি। এতে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা ৯৮৬জন। একটি গুরুত্বপূর্ন দপ্তরের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত লোকবল প্রয়োজন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মানিক চন্দ্র দাস জানান, তাঁর দপ্তরে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পদে ১৫জন স্টাফ থাকার কথা কিন্তু সেখানে রয়েছেন তিনিসহ মাত্র ৪জন। একজন উচ্চমান সহকারী ডেপুটেশনে প্রাথমিক শিক্ষা সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে এখন কর্মরত।
এ অবস্থায় এত কমসংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ন দপ্তরটি পরিচালনা করতে খুবই হিমশিম খেতে হচ্ছে। যেখানে সহকারী শিক্ষা অফিসার পদে ৮জন থাকার কথা সেখানে রয়েছেন ১জন। মাত্র একজন হিসাব সহকারী দিয়ে দপ্তরের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যেখানে অফিস সহকারী ৩জন থাকার কথা সেখানে ৩পদই শুন্য। এমএলএসএস পদটিও শুন্য রয়েছে দীর্ঘদিন যাবৎ। এতে করে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহ সুষ্ট মনিটরিং ও তদারকি করতে অনেকটাই হিমসিম খেতে হচ্ছে চলতি দায়িত্বরত ১জন সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে। একদিকে প্রশাসনিক কাজ সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয়, অন্যদিকে অফিসিয়াল কর্মসম্পাদন করতে বা জেলা শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন ডকুমেন্ট জরুরী ভিত্তিতে প্রেরন বিষয়ক কার্যাদি সম্পন্ন করতে হয়। ফলে শিক্ষার কাংক্ষিত মান ধরে রাখার জন্যে শূন্য পদ পূরণকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন সচেতন মহল। ছাতক সদর হতে বেশক’টি ইউনিয়নের স্কুলের অবস্থান অনেকটা দূরে বিধায় লোকবল সংকটের কারণে সঠিকভাবে স্কুল পরিদর্শন করাও যাচ্ছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার সার্বিক মান।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মানিক চন্দ্র দাস বলেন, সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার শূণ্য পদ পুরনের জন্য ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে লিখিত আকারে জানিয়েছি। এ সকল শুন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Sylhetnewsbd Online News Paper