বিসিসি নির্বাচন: নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মনযোগ আকৃষ্ট করার চেষ্টা

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ের যেকোনো নির্বাচনেই প্রার্থীরা নিজেদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ইশতেহার দিয়ে থাকেন। নির্বাচিত হলে ভোটারদের জন্য কী কী করবেন সেই প্রতিশ্রুতি থাকে তাদের ওই ইশতেহারে।

বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনেও প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মনযোগ আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন।

প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ২৮ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার।

অন্যদিকে, তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। তিনি ভোটারদের এবং গণমাধ্যমকে বলছেন, নগরবাসী যে উন্নয়ন চায় সেটাই আমার প্রতিশ্রুতি। নগর উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন তা-ই করবো।

বিসিসি নির্বাচনের আলোচিত আরেক মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব ১৬ দফার ইশতেহার দিয়েছেন। আর জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস দিয়েছেন ২৪ দফার।

এ নিয়ে অনেকে বলছেন যিনি কোনো ভিশনই নেননি তিনি কাজ করবেন কীভাবে? তবে অনেকে আবার বলছেন সাদিক আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়। তিনি যা চাইবেন তা-ই করতে পারবেন। তাছাড়া তার বাবা স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। ফলে তার কাজ করা আরও সহজ হবে। এসব প্লাস পয়েন্টে সাদিককেই এগিয়ে রাখছে অনেকে।

বিএনপি সমর্থিত সরোয়ারের প্রতিশ্রুতি নদী-খাল সচল রেখেই নগরীর উন্নয়ন নিশ্চিত করা। শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চত করা। কর্মজীবী নারীদের আবাসন, মায়েদের জন্য ডে কেয়ার চালু করা, মুক্তিযোদ্ধা ও ইমামদের বিশেষ সুবিধা দেওয়াসহ ২৮ দফা।

প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২৭নং ওয়ার্ডের ভোটার আরাফাত রহমান তারিক বাংলানিউজকে বলেন, প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি দিয়েও কাজ হয় না। আবার একেবারেই প্রতিশ্রুতি না দিলে মানুষ বুঝবে কী করে মেয়র কাজ করবেন। মানুষ স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে। তাছাড়া প্রতিশ্রুতি থাকলে জবাবদিহিতাও থাকে।