সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: পরিবহন শ্রমিকদের বাধায় অ্যাম্বুলেন্সে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বড়লেখা থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৬০ থেকে ১৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত রোববার (২৮ অক্টোবর)বড়লেখা থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাবার কালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের অজমির গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী কুটন মিয়ার সাতদিনের কন্যাশিশুকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স করে যাবারকালে পরিবহন শ্রমিকদের বাধায় হাসপাতালে না নিতে পারায় অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই শিশুটি মারা যায়। শিশুর চাচা আকবর আলী বাদি হয়ে বড়লেখা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুর চাচা হাজী আকবর আলী বাদী হয়ে শ্রমিকদের দায়ী করে (৩১অক্টোবর) বুধবার রাতে মামলাটি করেন।মামলায় তিনি উল্লেখ করেছেন, গত রোববার সকালে আমার ৭ দিনের নবজাতক ভাতিজিতে অসুস্থ অবস্থায় বড়লেখা উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত সিলেট নেয়ার জন্য বলেন। চিকৎসকের কথামতো আমরা বাচ্চাটিকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।সিলেট যাওয়ার পথে বড়লেখা উপজেলার দরগাবাজার, দাসেরবাজার ও চান্দগ্রাম বাজারে ৩টি জায়গায় আমাদের আটকে রাখে পরিবহন শ্রমিকরা। এ সময় সেখানে অ্যাম্বুলেন্স চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। তাদের বাধায় হাসপাতালে না নিতে পারায় পথেই শিশুটি মারা যায়। তিনটি স্পটে ১৬০ থেকে ১৭০ জন তাদের বাধা দেয়।
মামলার বাদী আকবর আলী জানান, আমরা আশা করছি সারাদেশ যেভাবে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আমাদের পাশে আছে আমরা বিচার পাব।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে মামলাটির তদন্ত করবে।
Sylhetnewsbd Online News Paper