সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: ছাতকের জালালপুর-লামারসুলপুর সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে সৃষ্ট বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণের। যাতায়াতে ভোগান্তি লাঘবে চলতি মৌসুমের মধ্যে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, ভারী যানবাহন চলাচল ও নিম্নমানের কাচামাল দিয়ে রাস্তার কাজ করায় নির্মাণের কিছু দিনের মধ্যেই নষ্ট হতে থাকে বিটুমিন। ভাঙ্গতে থাকে সড়কের পাকা। অনেক স্থানে সড়কের পাকা ভেঙ্গে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই এইসব গর্তে পানি জমে সৃষ্টি হয় মিনি পুকুর। রাস্তার এমন বেহাল দশায় মুর্মূষ রোগী বা গর্ভবতী মহিলাদের হাসপাতালে নিয়ে আসতে হিতে বিপরীত ঘটনা ঘটে। মাত্রাতিরিক্ত ঝাঁকুনিতে অসুস্থদের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়। তাছাড়া রাস্তায় সৃষ্টি হওয়া ছোটবড় গর্ত আর খানাখন্দে যানবাহন চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন চালকদের। একটু এদিক সেদিক হলেই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় চালক ও যাত্রীদের। স্থানীয়রা আরো জানান, প্রায় ১৮ কিলোমিটার জালালপুর-লামারসুলপুর সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করেন উপজেলার দোলারবাজার, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজালাবাদ ও ভাতগাঁও ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের কয়েক সহ¯্রাধিক মানুষ। রাস্তার পাশে রয়েছে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, কমিউনিটি ক্লিনিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে প্রত্যহ জেলা শহর সুনামগঞ্জ ও বিভাগীয় শহরে চলাচল করেন এখানকার মানুষজন।
সিএনজি চালক সাদিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। যেন দেখার কেউ নেই। ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে গাড়ী চালাতে অনেক কষ্ট হয়। খুবই সর্তক হয়ে ড্রাইভিং করতে হয়। একটু এদিক সেদিক হলেই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা রুয়েল আহমদ বলেন, এই রাস্তা দিয়ে উপজেলার প্রায় ৪ ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকেন। ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচলে সীমাহিন ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের। এমনকি দূরত্বের তুলনায় বেশি টাকাও গুনতে হয় যাত্রীদের। এখানকার কয়েক সহ¯্রাধিক মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চলতি মৌসুমের মধ্যে সড়কটি সংস্কার করার দাবী জানান তিনি।
এব্যাপারে ছাতক উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আবুল মনসুর মিয়া বলেন, জালালপুর-লামারসুলপুর সড়কটি সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প টেন্ডার হয়েছে। চলতি মৌসুমেই এর কাজ শুরু করা হবে।
Sylhetnewsbd Online News Paper