সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সীমান্তিকের চিফ প্যাট্রন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির বলেছেন, ইএসডি ফাউন্ডেশন নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক মেধাবী আছে যারা সুযোগের অভাবে মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে না, অবহেলায় আড়ালে থেকে যায়, তাদের নিয়ে এসে উৎসাহিত করার জন্য এ আয়োজন। বিশ্বায়নের এ যুগে দেশের উন্নয়নে মেধার বিকল্প নেই। একবিংশ শতাব্দীতে মেধাবীরাই সমাজকে নেতৃত্ব দেবে। তিনি ই.এস.ডি ফাউন্ডেশন অপরাজিতা মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, একটি দেশ, একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে হলে আগে নারীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া জরুরি। এখন নারী শিক্ষার হার যে ভাবে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এই প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। একই সাথে সরকারি-বেসরকারি ও ব্যাক্তি পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত মানসম্মত, স্বল্প খরচে শিক্ষার পথ সুগম করা। তবেই পুরুষের পাশাপাশি নারীরা সমান হারে শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার, সমাজ, দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যান, সমৃদ্ধি, উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবে এবং নারী শিক্ষার এই অগ্রযাত্রায় সবাইকে স্বাগত জানান।
২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আয়োজিত ইএসডি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ও উইমেন্স মডেল কলেজ সিলেটের সহযোগিতায় অপরাজিতা মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ২০১৮ এর বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
ই.এস.ডি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জে. এম. এইচ. জে ফেরদৌসের সভাপতিত্বে ও উইমেন্স মডেল কলেজের প্রভাষক মো. মাহফুজুর রহমান ও শিক্ষিকা ভারতী দাসের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক আজিজ আহমেদ সেলিম, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ।
আরও বক্তব্য রাখেন উইমেন্স মডেল কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার, ই. এস. ডি ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি মাহবুবুল আলম মিলন, প্রকৌশলী মির্জা তারেক আহমেদ প্রমুখ।
ইএসডি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ও উইমেন্স মডেল কলেজ সিলেটের সহযোগিতায় অপরাজিতা মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় ৩৪ জনকে ট্যালেন্টপুল ও ১২১জনকে সাধারণ বৃত্তি ও সনদ প্রদান করেন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
Sylhetnewsbd Online News Paper