গানের তালে তালে নৌকার স্লোগানে মুখরিত সিলেট নগরী

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: সিলেট-১ আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নৌকা প্রতীকের সমর্থনে সিলেট নগরীতে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় নির্বাচনী সর্বশেষ এই মিছিলটি নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়। নির্বাচনী গান, ‘জিতবে আবার নৌকা, জয় বাংলা’, বাউল শিল্পী শাহ আব্দুল করিমের ‘ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূর পঙ্খী নায়’ গানের তালে তালে আর নৌকার নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে সিলেট নগরী। মিছিলটি পরবর্তীতে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আপনাদের ভোটে গত ১০ বছরে আমি আপনাদের প্রতিনিধি ছিলাম। সর্বোচ্চ চেষ্টা ও আন্তরিকতা দিয়ে আপনাদের সেবা করেছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে টানা দুই মেয়াদে সরকার দেশের জনগণের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি উন্নয়ন করেছে। যার ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বদরবারে একটি উন্নয়ন ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে আবিভর্‚ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ড. মোমেনকে জাতির পিতার কন্যা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট-১ আসনে প্রার্থী করেছেন। এ আসনে আপনারা আমাকে যেভাবে নির্বাচিত করার মাধ্যমে সিলেটসহ দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ দিয়েছেন, সেভাবে আমার ছোট ভাই মোমেনকেও ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। সিলেট-১ আসনের জনগণের প্রতি আমার প্রত্যাশা ও প্রার্থনা- আপনারা ৩০ ডিসেম্বর মোমেনের বাক্সে ভোট দেবেন, নৌকার বাক্সে ভোট দেবেন, শেখ হাসিনার বাক্সে ভোট দেবেন।

সভায় ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা নেতৃত্বে সরকার পুনর্বার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠা করবেন। দেশের মঙ্গল, মানুষের মঙ্গলের জন্য জঙ্গি মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত এবং আলোকিত ও উন্নত সিলেট গড়তে নৌকায় ভোট দিন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও কল্যাণে শেখ হাসিনা সরকার বার বার দরকার। ড. মোমেন সিলেটের উন্নয়নে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আসন্ন নির্বাচনে নৌকা মার্কায় সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য সিলেটবাসীর প্রতি আহবান জানান।

গণমিছিল ও সমাবেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর সভাপতি ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জেলার সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরীসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্খী অংশ নেন।