মস্তফা উদ্দিন: সিলেট শহরকে দেশে বিদেশে পরিচত করেছে ব্রিটিশ আমলের দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ক্বীণ ব্রিজ টি। শহরকে দ্বিখণ্ডিত করেছে সুরমা নদী, আর ব্রিজ টি নদীর দুই তীর চলাচলের বন্ধন তৈরী করছে। ক্বীণ ব্রিজের পার্শবর্ত্তী থাকা ঘড়িটি ভ্রমন পিপাসুদের করেছে আর্কষন।
বিশ্বব্যাপী সুরমা নদী ও ক্বিন ব্রিজের ঐতিহ্য সমাদৃত সিলেট শহরকে করেছে সু পরিচিত। কিন্তু নদীর দুই তীর যেন এখন ময়লার ফেলার মহাউৎসব চলছে। ব্রিজের দুই তীর ময়লায় এখন ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
নদীর দুই পাশে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ময়লা ফেলার একমাত্র স্থান যেন নদীর তীর। নদী আর পরিবেশ বাচাঁতে বেশ কিছুদিন থেকে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সিলেটের স্বেচ্ছাসেবী তরুণরা। আর তাদের এ কাজে একাত্মতা প্রকাশ করে নদীর পাড় পরিষ্কারে নামলেন ব্রিটিশ তিন সাংসদ।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে নিয়ে সুরমা তীরের আবর্জনা পরিষ্কার করেন ব্রিটেনের তিন সাংসদসহ কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের ২২ সদস্যের প্রতিনিধি দল। তারা সিলেটে গত কয়েকমাস ধরে চলমান ‘ক্লিন সুরমা গ্রীন সিলেট’ প্রজেক্টের সাথে একাত্মতা পোষণ করে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামেন।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পাড়ে চাঁদনীঘাট এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন ইংল্যান্ডের কনজারভেটিভ পার্টির পল স্কালি এমপি, কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এনি মারগারেট মেইন এমপি এবং বব ব্ল্যাকম্যান এমপির নেতৃত্বে ২২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
এসময় ব্রিটিশ সাংসদরারা বলেন, ‘সিলেট তথা বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ। এখানকার তরুণ সমাজ যেভাবে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে এসেছে, তা আসলেই দৃষ্টান্তস্বরূপ। আমরাও তাদের সাথে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে এখানে অংশগ্রহণ করতে পেরে গর্বিত।’
তারা সুরমা নদীর পাড় পরিষ্কার রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান এবং এ সংক্রান্ত যেকোন প্রয়োজনে সিটি কর্পোরেশনকে তাদের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

Sylhetnewsbd Online News Paper