মস্তফা উদ্দিন: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও দুই জন পুরুষ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের নমুনা পরিক্ষার জন্য ল্যাবে গত ৭ জুন ঢাকায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবার ১৬ জুন তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তাদের দু’জনের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তারা দু’জনই সুস্থ আছেন।
এদের মধ্যে একজনের বাড়ি উপজেলার পাখিয়ালা এলাকায় বয়স (১৮)এবং অপরজন দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের দোহালিয়া এলাকায় বয়স (২৮)।তাঁরা দুইজনই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন।এনিয়ে উপজেলায় মোট ২১জন করোনায় সংক্রমিত পাওয়া গেছে।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে আক্রান্ত দু’ইজনের বাড়ি লকডাউন করাহয়েছে। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফেরদৌস আক্তার ও থানার এসআই কৃষ্ণ মোহন দেবনাথসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্হ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন বড়লেখা উপজেলার পাখিয়ালা গ্রামের (১৮) এবং দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের দোহালিয়া গ্রামের (২৮) দুই জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়। তাদের শরীরে করোনার মৃদু উপসর্গ ছিলো। নমুনা পাঠানোর ৯ দিন পর আজ (মঙ্গলবার,১৬ জুন) তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তবে এর মধ্যেই নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা এই দুইজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই আক্রান্ত এ দুই জনের বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন।
গত ৭জুন পর্যন্ত বড়লেখা থেকে ৩৭০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় জন্য ল্যাবে প্রেরণ করা হয়। এ পর্যন্ত উপজেলায় মোট ২১ জনের শরীরে করোনার সংক্রামণ পাওয়া গেছে।পরপর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। বাকিরা হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। এছাড়াও গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৭ জুন পর্যন্ত প্রেরিত নমুনার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। বাকিগুলো এখনো পাওয়া যায় নি।
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস মঙ্গলবার দুপুরে বড়লেখার ডাককে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘নতুন শনাক্ত এ দুইজনের নমুনা গত ৭ তারিখে ল্যাবে পাঠানো হয়েছিলো।আজ তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তারা দুজনেই ভাল আছেন। নমুনা সংগ্রহের দিনই তাদেরকে হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। করোনা পজিটিভ প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই দুজনের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন , মৃদু উপসর্গে আক্রান্ত অনেক করোনা পজিটিভ রোগী লকডাউন মানছেন না। এতে অন্যদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত কেউ যাতে বাইরে বের হতে না পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।
Sylhetnewsbd Online News Paper