মস্তফা উদ্দিনঃ অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফের হাতে আটক হয়ে ভারতের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে কারাবন্দি হয়েছেন অনেকে। কারও সাজার মেয়াদ শেষ হলেও নানা জটিলতায় দেশে প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অবশেষে দু’দেশের দীর্ঘ কুটনৈতিক তৎপরতায় বিশেষ করে আসামের গোয়াহাটির বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার ড.তানভীর মনসুর রনি ও মৌলভীবাজার জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা অমলেন্দু কুমার দাশের সার্বিক সহযোগিতায় বুধবার দুপুরে সিলেটের বিয়ানীবাজার শেওলা সীমান্ত দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার ৬ বাংলাদেশী দেশে ফিরলেন।
(৩মার্চ) বুধবার দুপুরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ) ও আসামের করিমগঞ্জ জেলা পুলিশ ৬ বাংলাদেশিকে বিজিবি ও ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এসময় বিজিবি শেওলা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টের ইনচার্জ আবুল কালাম,বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার লোকমান হাকিম ভূইয়া,বিয়ানীবাজার থানার এস আই মো.খবির উদ্দিন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি মৌলভীবাজার জেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অমলেন্দু কুমার দাশ, ভারত আসামের করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল ওয়াকিল, ইমিগ্রেশন অফিসার সমরেন্দ্র চক্রবর্তী, বিএসএফ-সুতারকান্দি কোম্পানি কমান্ডার গুরুদিপ্ব সিং প্রমুখ ছিলেন।
শেওলা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টের ইনচার্জ আবুল কালাম বলেন, দেশে প্রত্যাগতদের করোনা উপসর্গ না পাওয়ায় তাদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়ে শেওলা স্থলবন্দরে অপেক্ষমাণ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য আসামের গোয়াহাটির বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার ড.তানভীর মনসুর রনির তৎপরতায় ও মৌলভীবাজার জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা অমলেন্দু কুমার দাশের সার্বিক সহযোগিতায়২০১৭ সালের আগস্ট মাস থেকে কয়েক ধাপে সিলেটের বিয়ানীবাজার শেওলা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরেছেন ২৭৭ জন বাংলাদেশী। এদের মধ্যে রয়েছেন শিশু ও মানসিক ভারসাম্যহীন নারী-পুরুষ।
Sylhetnewsbd Online News Paper