জনদুর্ভোগের আরেক নাম মৌলভীবাজারের বড়লেখা-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়ক

মস্তফা উদ্দিন,সিলেট নিউজ বিডি: সিলেট মৌলভীবাজার-চান্দগ্রাম (বড়লেখা) আঞ্চলিক মহাসড়কের চান্দগ্রাম-জুড়ী কুইয়াছড়ি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটারে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের কারণে নষ্ট হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ। ভাঙাচোরা রাস্তায় যানবাহনগুলোর গতি কমে গেছে। ফলে পৌর শহর এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। অন্যদিকে গাড়ির ঝাঁকুনিতে নাকাল যাত্রীরা।

মৌলভীবাজার-চান্দগ্রাম (বড়লেখা) আঞ্চলিক মহাসড়কের চান্দগ্রাম-মাইজগ্রাম, খলাকান্দি, বড়লেখা পৌর শহরের উত্তর চৌমুহনী থেকে গাজিটেকা-যাত্রীছাউনি, ষাটমা স্কুল, ডাকবাংলা, মধ্যবাজার, লাইটেস স্ট্যান্ড, পাখিয়ালা, থানা এলাকা, উপজেলা, কাঁঠালতলী, দক্ষিণভাগ বাজারের উত্তর অংশ, ওয়াপদা, সফরপুর, হাতলিঘাট, কুয়াইয়াছড়ি এলাকার এসব স্থানে সড়ক ভেঙে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

স্থানীয় যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার-চান্দগ্রাম (বড়লেখা) আঞ্চলিক মহাসড়কের এই ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে সফরপুর, হাতলিঘাট, কুয়াইয়াছড়ি এলাকায় গত পাঁচ মাসে কয়েক দফা বন্যার পানি উঠে সড়ক বিধ্বস্ত হয়েছে। সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় এসব স্থানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে সওজ যানচলাচলের জন্য ইট ও বালি দিয়েছে। তবে জোড়াতালির এ সংস্কারে কমেনি জনদুর্ভোগ।

এছাড়া সড়কের অন্য অংশগুলো প্রায় একবছর ধরে একটু একটু করে ভাঙছে। সড়কের মধ্যে ছোট-বড় ফাটল ও ঢেউয়ের মতো অসমতল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে বৃষ্টিপাতের সময় সড়কে ফাটল ও টেউয়ের মতো স্থান ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়। এসব গর্তের মধ্য দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে যানবাহন। এই সড়ক দিয়ে বড়লেখা উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা সহ আশপাশের উপজেলার মানুষ জেলা সদরে আসা-যাওয়া করেন।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ইকবাল হোসেন আহমদ বলেন, ‘ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাইতে গিয়া কষ্ট হয়। প্যাসেঞ্জার বিরক্ত হয়। নিজে একবার গাড়ি চালাইয়া গেলে আর মনে চায় না গাড়ি চালাইতাম। গাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট অয়। খালি ইট আর বালি দেওয়া অয় রাস্তাত।’
এই সড়কের নিয়মিত যাত্রী ব্যাংকার ফয়জুর রহমান বলেন বলেন, ‘গত প্রায় পাঁচ মাস থেকে এই সড়কে দুর্ভোগ চলছে। সীমাহীন কষ্ট হচ্ছে। এখন এটাকে সড়ক মনে হয় না। সড়কটির ৩টি স্পট পুকুরের মত হয়ে গেছে। পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে। গাড়ি গর্তে পড়ে ঝাঁকুনি দেয়। তখন ভয় হয়।

রাস্তা দুর্ভোগের জন্য বড়লেখা থেকে সিলেট বিভাগিয় শহরে সাথে ব্যবসায়ী দের পরিবহন খরছ বেড়েগেছে, জরুরি ভিত্তিতে রুগিদের সিলেট য়াতায়াত দুর্ভোগের যেনো শেষ নেই, বড়লেখা থেকে সিলেট সময় লাগত দুই থেকে আড়াই ঘন্টা এখন সময় লাগে সাড়ে তিন থেকে চার ঘন্টা।

বড়লেখা থেকে সিলেট নিয়মিত কয়েক জন ব্যবসায়ী ও যাত্রী সাথে আলাপ কালে বলেন, রাস্তা গুলো য়েনো অভিবাভক বিহিন হয়েগেছে। রাস্তা গুলো মেরামত করার জন্য সরকারপক্ষ য়েনো দ্রুুত ব্যবস্তা গ্রহন করা হয়।