সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পাঁচগাও গ্রামের ঢাকিরভিটা এলাকার একটি বাঁশঝাড় থেকে ৬ বছর বয়সী বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ অক্টোবর শুক্রবার রাতে গলায় রশিদিয়ে বাঁধা অবস্থায় ফারজানার মৃতদেহ একটি বাঁশঝাড় থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ফারজানা আক্তার ওই গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে। তার পরিবারের অভিযোগ, ফারজানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের পরিবার, এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার পাচঁগাও গ্রামের ফজলুল হকের শিশুকন্যা ফারজানা আক্তার শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। সারাদিন খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির কোনো খোঁজ মেলেনি। পরে রাতে এলাকাবাসী ঢাকিরভিটা এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ে বাঁশের সঙ্গে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় ফারজানার মৃতদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে রাতেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ফারজানার মা ফরিদা আক্তার জানান, শুক্রবার সকালে ফারজানা প্রতিবেশী ইন্তাজ আলীর মেয়ের বিয়ে দেখতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরে তাকে না পেয়ে বহু খোঁজাখুঁজির পর রাতেই পাশের বাড়ির বাঁশ বাগানে তার লাশ পাওয়া যায়। এ কথা বলতে বলতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তার জ্ঞান ফিরলে আবারও বুকফাঁটা আর্তনাদ করতে থাকেন।
ফারজানার বাবা ফজলুল হক বলেন, ‘আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে গলায় রশি বেঁধে ফেলে রেখেছে। আমি খুনিদের উপযুক্ত বিচার চাই।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক অসি (তদন্ত) মো. মাজাহারুল ইসলাম জানান, শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও গলায় দড়ি পেঁচিয়ে বাঁশের সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ফারজানার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল দেথে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাতের পর বাঁশ বাগানে বাঁশের সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়। তবে ময়নাতদন্তের পর সবকিছুই স্পষ্ট হবে।
Sylhetnewsbd Online News Paper