বাঙালির সক্ষমতা আছে, প্রয়োজন আত্নবিশ্বাস: করোনা ভ্যাক্সিনের বাস্তবতা

মো: আব্দুর রশিদ খান রাশেদ: যুক্তরাজ্যের সেরা চিকিৎসক এ বছর নির্বাচিত হয়েছেন একজন বাঙালি। তিনি সিলেটের ফারহানা হোসেন। প্রশ্ন কি আসে না একজন বাঙালি বিলেতিদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে কিভাবে সেরা হয়?

আমাদের অনেকের জানা আছে, স্যার জগদীস চন্দ্র বসু মাইক্রোওয়েব তরঙ্গ অাবিষ্কার করেছিলেন ফলশ্রুতিতে আবিষ্কার হয় রেডিও। চিন্তা করে দেখেন এই পৃতিবীতে যখন কোন প্রচার মাধ্যম ছিলো না তখন রেডিও আবিষ্কারের মাধ্যমে ঘরে বসে খবর পাওয়ার নতুন যুগ শুরু হয় ।আর এর পিছনে একজন বাঙালির সবচেয়ে বড় অবদান।

পাট পৃথিবীর অন্যতম অর্থকরি ফসল। এই পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন একজন জিনতত্ত্ববিদ। যার নাম ড. মাসুদুল হাসান তিনি একজন বাঙালি।

আব্দুস সাত্তার খান ৪০টিরও বেশি সংকর ধাতু উদ্ভাবন করেছেন। এই সংকর ধাতুগুলো ইঞ্জিনকে আরো হালকা করেছে, যার ফলে উড়োজাহাজের পক্ষে আরো দ্রুত উড্ডয়ন সম্ভব হয়েছে এবং ট্রেনকে আরো গতিশীল করেছে। তার উদ্ভাবিত সংকর ধাতুগুলো এফ-১৬ ও এফ-১৭ যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি একজন বাঙালি।

বিশ্বসেরা উপরোক্ত আবিস্কারগুলোর পেছনে কার অবদান, তা কি কখনো ভেবে দেখেছেন ? তারা আর কেউ নয় তারা দু’চোখে স্বপ্নভরা আত্নবিশ্বাসী বাঙালি । এ রকম আরও শত শত বাঙালি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছেন যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশ্ব সেরা হয়েছেন। তারা যদি বাঙালি হিসেবে বিশ্বসেরা হতে পারেন তাহলে বাঙালি যে কেউ হয়তো করোনারও টিকা আবিষ্কার করতে পারে সেটা অবিশ্বাস্য হবে কেন? আমি বলছি না গ্লোব বায়োটেক টিকা আবিষ্কার করে ফেলেছে, নানা ধরনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মধ্য দিয়ে এসব টিকার সফলতা আসে। তবে বাংলাদেশি কিংবা বাঙালিদের এই চেষ্টা সেটা কিন্তু কাঙ্খিত। তাই আসুন আমরা আত্নবিশ্বাসী হই। বাঙালিরও সক্ষমতা আছে এই আত্নবিশ্বাসের এখন বড়ই প্রয়োজন।

লেখক:
মো: আব্দুর রশিদ খান রাশেদ 
বিএসএস,এমএসএস,শাবিপ্রবি।