ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকে বিআইডবি¬উটিএ কর্তৃক নদী বন্দর এলাকার নৌ-যান থেকে অতিরিক্ত হারে টোল আদায়ের অভিযোগে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল হাসান, ছাতক লাইমষ্টোন ইম্পোটার্স এন্ড সাপ¬ায়ার্স গ্রুপর সেক্রেটারী সৈয়দ তৌফিক আহমদ ইকবাল ও ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামছু মিয়া স্বাক্ষরিত এ অভিযোগ গত ২০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রদান করা হয়।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী অঞ্চল হিসেবে ছাতক থেকে বালু-পাথর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হয়ে আসছে যুগ-যুগ ধরে। ২০১৬ সালে ছাতকে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাতককে নৌ-বন্দর ঘোষনা করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান। নৌ-বন্দর ঘোষনার পরপর এখানে তিনটি জেটিসহ নৌ-পুলিশ ফাঁড়িও স্থাপন করা হয়। ইতিমধ্যেই বিআইডবি¬উটিএ কর্তৃক বন্দর এলাকাধীন নৌ-যান থেকে টোল আদায়ের জন্য সরকারীভাবে নৌ-বন্দর এলাকা ইজারা প্রদান করা হয়। কিন্তু ইজারার সকল শর্ত ভঙ্গ করে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইজারাদার মনগড়াভাবে অতিরিক্ত হারে টোল আদায় করছেন। অতিরিক্ত টোল দিতে অপারকতা প্রকাশ করলে প্রায়ই নৌ-যান শ্রমিক-কর্মচারীদের মারধরসহ তাদের সাথে অশালিন আচরন করছে ইজারাদারের লোকজন। এমনকি নৌ-বন্দর এলাকার বাইরে গিয়েও তারা টোল আদায় করে যাচ্ছে। বন্দর সীমানার অভ্যন্তরে অবস্থানরত লোডিং নৌযান থেকে টোল আদায়ের বিধান থাকলেও ইজারাদারের লোকজন চলমান বার্জ-কার্গো, বাল্কহেড ও বড় নৌকা থেকেও নিয়ম বহির্ভূতভাবে টোল আদায় করছে। চলামান নৌ-যান থেকে টোল আদায় করতে প্রায়ই নৌ-যানগুলো দূর্ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তপূর্ব জরুরীভিত্তিতে আইনী ব্যবস্থা নেয়ারও দাবী জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
এদিকে, নৌ-বন্দর এলাকার ইজারাদার কালা মিয়া আনিত এসব অভিযোগ অসত্য মন্তব্য করে তিনি জানান, বিআইডবি¬উটিএ কর্তৃক নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী টোল আদায় করা হচ্ছে এখানে। আভ্যন্তরিন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত প্রতি ঘনফুট ০.২৫ হারে টোল আদায়ের নির্দেশনা রয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর টোল আদায়ের ক্ষেত্রে কোন রকম জোর-জবরদস্তি বা অশালিন আচরনের বিষয়টি বানোয়াট বলে তিনি দাবী করেছেন।
Sylhetnewsbd Online News Paper