হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেটের সুনামঞ্জের চারটি উপজেলা মিলে জগন্নাথপুরে বিশাল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ষাঁড়ের লড়াই আগামী কাল। শনিবার ও মঙ্গলবার সকাল ০৬ঘটিকার সময় আমরাতল গ্রামে এ ষাড়ের লড়াই অয়োজন করা হয়েছে। এ ষাড়ের লড়াই কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম ফেইসবুকে ষাড়ের মলিকরা দর্শকদের আকর্ষন কারার জন্য ভিবিন্ন ভাবে কৌশল অবলম্বন করছেন।
ষাড়ের নাম সংগ্রাম এর মালিক সুনামঞ্জের জগন্নাথপুরের মিরপুরের আমরাতল গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে বাদশাহ হক (লন্ডন প্রবাসী) ও বাজিগর এর মালিক আউদ্দা বরকাফন গ্রামের মৃত ছামেদ মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়ার উদ্যোগে এ ষাড়ের লড়াই অয়োজন করা হয়েছে।

সিলেটে ষাঁড়ের লড়াইয়ের এসব চিত্র তুলে ধরে সমপ্রতি হাইকোর্টে শরণাপন্ন হয়েছেন পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন পিচ সিলেটের সেক্রেটারি রাহাত আহমদ টিপু। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আগামী ৬ মাসের জন্য সিলেট বিভাগে ষাঁড়ের লড়াইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। পাশাপাশি এ ব্যাপারে আইন ও স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে রুলও জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্র্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গত ১৯শে জানুয়ারি এ আদেশ জারি করেন। রিট পিটিশনের (নং-৩৭৭/১৬) প্রেক্ষিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আদেশে ষাঁড়ের লড়াই, মুরগি লড়াই সহ সব ধরনের পশুর লড়াই প্রতিযোগিতা কেন বে-আইনি ঘোষণা করা হবে না- এ মর্মে কারণ দর্শাতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে রুলনিশি জারি করা হয়।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুরছালিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিরপুরের আমরাতল গ্রামে ষাড়ের লড়াই খবর পেয়েছি,আমরা আইনগত ব্যাবস্তা নিচ্ছি। তিনি আরও বলেন, প্রতি তিনদিন পর পর একটি করে ষাড়ের লড়াই বন্ধ করছি।
এ ষাড়ের লড়াইয়ে বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করছেন, বিশ্বনাথের মশাহিদ খান, মাসুক মিয়া, ইমান আলী। জগন্নাৎপুরের সুহেল মিয়া, কমল মিয়া, আছু মিয়া, ছাতকের নূরুল হক, আব্দুর নূর। দক্ষিন সুনামঞ্জের কেন্নাল, আশ্রব মিয়া।
Sylhetnewsbd Online News Paper