সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও গ্রামাঞ্চলের ঘর-বাড়ি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বন্যার পানি ধীরে-ধীরে নামতে শুরু করেছে। ৫দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ও নোয়ারাই ইউনিয়নসহ ১৩ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার অধিকাংশ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় ছিলেন। গ্রামীণ রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ছিল বিচ্ছিন্ন। শুক্রবার থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু হওয়ায় এখানের অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে গ্রামীণ কাচা রাস্তাঘাট পানির নিচ থেকে ভেসে উঠলেও কাঁদা মাটিতে পরিণত হওয়ায় এসব রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করা যাচ্ছে না। ঘর-বাড়ি পানির নিচ থেকে ভেসে উঠলেও বসবাস করতে গিয়ে সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বন্যার পানি নামলেও শিক্ষা কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার, চেলা নদীর পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমা, পিয়াইন ও চেলা নদীতে পাথর-বালুবাহী বার্জ-কার্গো ও বাল্কহেড নৌকায় লোডিং-আনলোডিং শুরুসহ নদীতে নৌ-চলাচল শুরু হয়েছে। ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হেকিম ও নোয়ারাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালিক রাজা জানান, বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করায় দু’য়েক দিনের মধ্যেই মানুষের জীবন যাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
Sylhetnewsbd Online News Paper