তাহিরপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও ধর্মপাশায় অবস্থানরত দেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট টাংগুয়ার হাওড়ের জিববৈচিত্র সংরক্ষন ও টেকসই ব্যাবস্থাপনা এবং হাওড় পাড়ে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে,সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বই সম্ভব সুষ্ঠুভাবে লক্ষ ও উদ্যেশ্য বাস্তবায়ন করতে সম্ভব।যদি টাংগুয়ার হাওড় সংগঠনের লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে, সাংগঠনিক ভাবে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সৎ ও যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা অনুসারে দায়িত্ব প্রদান করা হলে সংগঠনের কাংখিত লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
টাংগুয়ার হাওড় সংগঠনের সদস্যগণ কোন কাজ সমাধানের ক্ষেত্রে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করলেও সকল সাফল্য বা ব্যর্থতা সংগঠনের নেতাদের উপরই বর্তায়।তাই হাওড়ের সহ বাবস্থাপনার ক্ষেত্রে সৎ যোগ্য দক্ষ ও অবিজ্ঞাতা সম্পন্ন ব্যাক্তিকে নেতৃত্ব অর্পণ করা প্রয়োজন, যে নেতা কর্তৃত্ব অর্পণ করলেও সে সজাগ থাকে, গঠিত দায়িত্ব সকলে যথাযথ ভাবে পালন করছে কিনা।প্রকৃত নেতা বা নেতৃত্ব থাকেই বলে, যিনি সাংগঠনিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কার্যাবলী পরিচালনা করেন। নেতার কাজকে নেতৃত্ব বলে। নেতৃত্ব কোন জন্মগত অধিকার নয়,নেতা তৈরি হয় । যার মধ্যে বিশেষ কিছু গুণ থাকে তাকেই নেতৃত্বের পদে বসায়। কিন্তু এজন্য তাকে বিভিন্ন দায়িত্বের ক্ষেত্রে সঠিক ভুমিকা পালন করতে হবে।
স্থানীয় সুশীল সমাজ প্রতিনিধিরা বলেন বিগত দিন গুলাতে টাংগুয়ার হাওড় সহব্যাবস্থাপনা ও হাওড়ের জিববৈচিত্র সংরক্ষনের ক্ষেত্রে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের পক্ষ হতে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়নি,তাদের মধ্যে একাদিক সার্থান্ব্যাশী ব্যাক্তি কালো টাকা বিনিময় করে দায়িত্ব আহরণ করে,সরকার ও সংগঠনের লক্ষাধিক টাকা ফাকি দিয়ে হাওড় হতে মৎস্য সম্পদ লুটে নেওয়ার অবিযোগ বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশ পায়,এবং তাহা এলাকাবাসী ও টাংগুয়ার হাওড়ের দায়িত্বরত এক্সিউটিব ম্যাজিষ্ট্রেট এর ভয়েচ রেকর্ড সত্যতা প্রমান করে। কিন্তু এই অবিযোগ টি প্রশাসন ও সংগঠন অথবা প্রকল্প কর্তৃক আমলে না নিয়ে কোন তদন্ত্র না করেই ধামা চাঁপা দেওয়া হয়।বর্তমানে টাংগুয়ার হাওড় সংলগ্ন গ্রাম গুলো নিয়ে যে সমবায় সমিতি গঠন করা হচ্ছে,সমিতি গঠন করার পুর্বে প্রকল্প কর্মী কর্তৃক বলা হয়েছে যারা টাংগুয়ার হাওড়ের বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং যাদের কাছে টাংগুয়ার হাওড় সংগঠনের ঋনের টাকা পাওনা রয়েছে তারা সংগঠনের সদস্য হতে পারবে না,তাদের এই নিয়মনীতি কে আমরা সাধুবাদ জানাই,কিন্তু তার মধ্যে কিছু প্রশ্ন রয়ে গেল প্রল্প কর্মীগন কি এই কাজ সঠিক ভাবে করতে পেরেছেন না কি শুধু বলেই যাচ্ছেন। না কি যারা পুর্বে বিভিন্ন দুর্তীনির সাথে সম্পৃক্ত তারাই আবার সমবায় সমিতির সদস্য হয়ে টাংগুয়ার হাওড় সংগঠন অথবা হাওড়ে লুটেরাজ কায়েম করার উদ্যেশ্যে বিভিন্ন বিনিময়ের মাধ্যমে দায়িত্ব চিনিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে।যদি এই সমস্ত অযোগ্য সার্থান্ব্যাশী ব্যাক্তিদের হাতে টাংগুয়ার হাওড় সহব্যাবস্থাপনার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় হাওড়ের অবস্থা কি হবে তাই দেখার বিষয়,
তাই টাংগুয়ার হাওড় সহব্যাবস্থাপনা কমিটির প্রত্যেকটি স্তরে বিশেষ করে কেন্দ্রীয় কমিটির ক্ষেত্রে সৎ ও যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন,বিগত কমিটির যারা অবিযোগ প্রাপ্ত তাদের প্রশাসন কর্তৃক যাচাই করে প্রমাণিত হলে তাদের কমিটি হতে বহিষ্কার করে সৎ যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যাক্তিদের সম্পৃক্ত করতে প্রশাসন ও প্রকল্প কর্মীদের টাংগুয়ার হাওড়ের জিববৈচিত্র সংরক্ষনের সার্থে দৃষ্টি রাখতে অনুরুধ করেন সুশীল সমাজ প্রতিনিধি গন।
টাংগুয়ার হাওড় সংলগ্ন লায়েছ ভুইয়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সাত্তার বলেন টাংগুয়ার হাওড় সংগঠনের লক্ষ ও উদ্যেশ্য বাস্তবায়ন এবং হাওড়ের জিববৈচিত্র সংরক্ষনের ক্ষেত্রে টাংগুয়ার হাওড় সংগঠনে যোগ্য সৎ নের্তৃত্ব একান্ত প্রয়োজন।পুর্বে যারা বিভিন্ন ভাবে সমালোচিত বা দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত তাদের সংগঠনের নের্তৃত্ব ও বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হয় সেদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তাগন দৃষ্টি রাখতে হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুর্ণেন্দু দেব বলেন,টাংগুয়ার হাওড় জিববৈচিত্র সংরক্ষন ও হাওড় পাড়ের বসবাসরত জনগোষ্ঠীর জিবনমান উন্নয়নের ক্ষত্রে সৎ যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব প্রয়োজন,এবং হাওড় পাড়ের জনগোষ্ঠীর জন্য বিকল্প কর্মের প্রয়োজন।
Sylhetnewsbd Online News Paper