জনগন হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের মালিক আর পুলিশ কর্মচারী: ডিআইজি কামরুল আহসান

ছাতক প্রতিনিধিঃ সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান বিপিএম বলেছেন, দেশের জনগন হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের মালিক আর পুলিশ হলো সেই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। সারা বিশ্বেই পুলিশের ভালো ও মন্দের দিক রয়েছে। তারপরও জনগনকে নিয়েই পুলিশের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ডিজিটাল বাংলাদেশের একটি অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ তদন্ত কেন্দ্রটিও প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা-চেতনার একটি ফসল। অপরাধ দমন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে তিনি পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতা করার আহবান জানান।

২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে ছাতক উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের জাহিদপুর বাজারে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে দোলারবাজার ইউনিয়নসহ গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ ও ভাতগাঁও ইউনিয়নের আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন তিনি।

এ উপলক্ষে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ছাতক সার্কেল দোলন মিয়ার সভাপতিত্বে ও ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ আতিকুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী ও মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন-নবী। বক্তব্য রাখেন, ভুমিদাতা প্রবাসী মোশাহিদ আলী, সাদিকুর রহমান সাদিক, রাজনীতিবিদ পীর মোহাম্মদ আলী মিলন, মুজিব মালদার প্রমুখ।

সভায় জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভুমিদাতা হিসেব মৃত আলহাজ্ব আফতাব আলী মাষ্টার, প্রবাসী মোশাহিদ আলী, ছামির উদ্দিন ও সাদিকুর রহমান সাদিক এবং অর্থসহ সার্বিক সহযোগিতাকারী হিসেবে ছানাওর আলী কয়েছ, মখদ্দুছ আলী, আব্দুল আলীম, তারিছ আলী, খালিছ মিয়া, ধন মিয়া মালদার, শাহ আব্দুল গনি চেয়ারম্যান ও আজিজুর রহমানের নাম ঘোষনা করা হয়।

এসময় ছাতক থানার ওসি (অপারেশন) কাজী গোলাম মোস্তফা, জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আজিজুর রহমান, এসআই নূর মোহাম্মদ খান, এসআই শমীরন দেব, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ডাঃ শাহ সৈয়দুর রহমান, আজিজুর রহমান, হাজী আব্দুল বশির, হাজী মারফত আলী, হাজী খলিলুর রহমান, হাজী হারুনুর রশিদ, আশিক মিয়া, ফটিক মিয়া, আবুল খয়ের মেম্বার, সুজন মিয়াসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।