তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ নিজের পক্ষে সাফাই গাইল সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বহুল আলোচিত নদী পথের চাঁদাবাজ তৈরীর নেপথ্যের কারিগর মতিউর রহমান ওরফে( মতি)। উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করছে সে।গত শনিবার (১৯,অক্টোবর,)দুপুরে উপজেলার শ্রীপুর বাজার তার চাঁদাবাজির অফিসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজের পক্ষে সাফাই গাইলেন এবং মতিউর রহমান ওরফে (মতির) বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ করায় উল্টো সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত রিফাত এর ঘাড়ে দিল চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপবাদ। অথচ এই মতি সেই মতি, তথ্যসুত্রে জানা যায়, সে গত বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিল মতি। বিভিন্ন তথ্যসুত্রে জানাযায় তৎকালীন সময়ে দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে চুরি ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত ছিল মতি,সেই সময়ে বোরকা বাহিনী হিসাবে এলাকায় তার ব্যাপক পরিচিতি ছিল,এবং তার বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতি চাঁদাবাজি সহ আজস্র মামলা হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার রদবদলে বিএনপির ক্ষমতা চলে গেলে মতি তার দল বদলালেও আজ বদলায়নি তার দুর্ধর্ষ চরিত্র।বর্তমানেও সে ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়বহন করে দাপটের সাথে চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছে। জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে নিয়ে হয়েছে বিস্তর লেখালেখি। আইনশৃঙ্খলাবাহীনির তালিকায়ও সে শীর্ষ চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত। জানাযায় গত ৪,আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার চাঁদাবাজ চক্রের ৪ সহযোগীকে চাঁদা আদায় কালে চাঁদা আদায়ের নৌকাসহ সংসার বিল সংলগ্ন তেরঘড় গ্রামের পাশে হাতেনাতে আটক করে র্যাব।তাতেও ক্লান্ত হয়নি মতি,প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে তার চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেই যাচ্ছে। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই স্থানে চাঁদাবাজির সময় পুলিশের হাতে চাঁদা আদায়ের নৌকা সহ সংসার বিল সংলগ্ন তেরঘড় গ্রামের পাশে আটক করে। এতে বিভিন্ন শিরোনামে একাধিক জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয়।এবং এই সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে গত শনিবার (১৯,অক্টোবর ) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজের পক্ষে সাফাই গাইলেন চাঁদাবাজ তৈরীরনে পথ্যের কারিগর মতি, তথ্যসুত্রে জানাযায় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে মতি বলে উপজেলা প্রশাসন থেকে ২৭/০২/১৯ইং,তারিখে০৫,৪৬,৯০৯২,০০০,০৮,০৬৬,১৯,৩২৪,ও৫৫৩ স্মারকমুলে ১৪২৬ বাংলা সনের ৩০,ই চৈত্র পর্যন্ত ১ বছরের জন্য উপজেলা শ্রীপুর বাজার ও ডাম্পের বাজারের নৌকাঘাট,খেয়াঘাট বৈধভাবে ইজারা এনেছি।উনি বলেছেন শ্রীপুর ও ডাম্পের বাজার খেয়াঘাট ব্যতিত অন্য কোথাও হাওরে গিয়ে উনার কোন লোকজন নৌকা থেকে অবৈধভাবে টোল আদায় করেনা,এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হয়েছে, স্থানীয়রা বলেন উনার লোকজন শ্রীপুর ও ডাম্পের বাজার নৌকাঘাট ব্যাতিত অন্য কোথাও টোল আদায় না করলে, পুলিশ ও র্যাবের হাতে চাঁদা আদায়ের সময় উনার চাঁদা আদায়ের ব্যবহৃত নৌকাসহ উনার লোকজন দুু-দুবার আটক হয় কেন।উনারা বলেন মতি সংবাদ সম্মেলন করে নিজের পক্ষে সাফাই গাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়।
উল্লেখ্য যে (১৯,আগস্ট) মতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের প্রকাশিত সংবাদে উপস্থিত দেখানো হয়েছে, শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন আখঞ্জী, ৮নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি দিলশাদ খাঁন, সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সাজু মিয়া, রফিকুল ইসলাম, নুর মিয়া, আক্তার হোসেন, গোপাল পাল, নাজিম উদ্দিন, আইয়ুব আলীকে,
কিন্তু প্রকাশিত সংবাদের শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি দিলশাদ খাঁন, উক্ত ওয়ার্ডের সভাপতি না বলে স্থানীদের জানান এবং সংবাদে গোপাল পাল কে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দেখানো হলে উনার সহোদর ভাই মানিক পাল জানান আমার ভাই এই সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন না। তারা কেনইবা আমার ভাইয়ের উপস্থিতি দেখালেন আমার ভাই সহ আমরা বোধগম্য নয়। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন আওয়ামিলীগ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
Sylhetnewsbd Online News Paper