তাহিরপুর প্রতিনিধি: হাওর আর মাছের রাজধানী নামে খ্যাত সুনামগঞ্জ জেলা টাংগুয়ার হাওর। অথচ মাছের রাজধানীতে দেখা দিয়েছে,অবৈধ কোণা জাল দ্বারা দিনের বেলা প্রকাশ্যে মৎস্য নিধন।আজ (৩রা,নভেম্বর) শনিবার দুপুর ১২টায়,সরেজমিনে দেখা যায়, টাংগুয়ার হাওরের সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা গোলাবাড়ি আনসার ক্যাম্পের এ পিসি আপ্তাপ নৌকার সহকারী মাঝি শুভ এবং আনসার সদস্যগন তাদের নিয়মিত চাদা না দিয়ে মাছ ধরতে আসায়।টাংগুয়ার হাওর মাছের অভয়ারণ্য আলমের দোয়ারে একটি অবৈধ কোণা জাল আটক করে।
কিন্তু আটক কৃত অবৈধ কোণা জালটি কৌশলগত ভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
মাছের রাজধানী মা মাছের অভয়ারণ্য টাংগুয়ার হাওরে মা মাছ ও পোনা অবাধে ধরার কারণে দেখা দিয়েছে দেশীয় মাছের সংকট।মা ও পোনা মাছ নিধনের অন্যতম কারণ হচ্ছে খুনা/টোনা বা বেড় জাল নামক এক ধরনের বৃহৎ আকার প্লাস্টিকের তৈরি সুতার জাল। কোণা জালের বিষাক্ত ছোবলে দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দেশী মাছ।জালটিতে ধরা পরছে পুঁটি, টেংড়া,
খাইক্কা, রানী, চাপিলা, খলিশা, কাংলা, রুই,
শৌল, বোয়াল, লাছসহ অসংখ্য প্রজাতির মা ও
পোনা মাছ।
বেড় জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হলেও দিনের বেলা প্রকাশ্যে পোনা মাছ ধরে যাচ্ছে হাওর অঞ্চলের জেলেরা।এবং টাংগুয়ার হাওর দায়িত্বরত এক্সিউটিব ম্যাজিষ্ট্রেট এর চক্ষু ফাঁকি দিয়ে আনসার নৌকার মাঝি সহকারী মাঝি প্রতিদিনেই হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। কিন্তু পোনা মাছ খেকো ঐ সকল জেলেদের ও টাংগুয়ার হাওর সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা রক্ষক নামের ভক্ষণকারী ঐ সকল অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ভুমিকা নেই বললেই চলে।
এ ব্যপারে টাংগুয়ার হাওর দায়িত্বে নিয়োজিত গোলাবাড়ি আনসার ক্যাম্প এ পিসি আপ্তাপ মিয়ার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে অনেকবার চেষ্টা করলেউ উনি ফোন রিসিভ না করায় আলাপ করা সম্ভব হয়নি।
টাংগুয়ার হাওর দায়িত্বরত এক্সিউটিব ম্যাজিষ্ট্রেট এর সাথে কথা বললে, উনি বলেন বিষটি ওড়া আমাকে জানায়নি আপনার কাছেই প্রথম শুনছি, বিষটি আমি দেখছি।
Sylhetnewsbd Online News Paper