সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ ছাতকের সিংচাপইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ভোটের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। যার ফলে সাধারণ ভোটারদের মনে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল। বরখাস্থ হওয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন মোহাম্মদ সাহেলের করা একটি রিটের ওপর শুনানি শেষে গত সপ্তাহে উচ্চ আদালত চেয়াম্যান পদের উপ-নির্বাচনের ব্যাপারে স্থগিতাদেশ প্রদান করলেও প্রার্থীরা তাদের প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। ফলে নির্বাচন হবে নাকি হবে না এ নিয়ে ইউনিয়নের গ্রাম-গঞ্জের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সিংচাপইড় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৩ জানুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পর ইতোমধ্যে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধসহ নির্বাচনী সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়।
জানা যায়, বরখাস্থ হওয়া সিংচাপইড় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন মোহাম্মদ সাহেলের করা একটি রিটের ওপর শুনানি শেষে গত ১৮ ফেব্রুয়ারী সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সিংচাপইড় ইউপি নির্বাচন ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন। সোমবার দুপুরে আদেশের কপি ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবরে হাতেহাতে পেশে করেন সাহাব উদ্দিন মোহাম্মদ সাহেলের পক্ষে শাহ আলম বাসিত। এরআগে ফেইসবুকে লাইভ সম্প্রচার ও একটি মামলায় সাজার অভিযোগে সাহাব উদ্দিন সাহেলকে গত বছরের ১৫ জুলাই চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রথমে সাময়িক পরে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বহিস্কারের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন (১০৪৮৫/১৮) করেন সাহেল। রিটের পর তিনি আবারো স্বপদে ফিরেন। পরবর্তীতে ওই রিট ব্যাকেট করে রিটের নিস্পত্তির জন্য ৮ সপ্তাহের সময় নেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ। কিন্তু সময়ের মধ্যে কোনো জবাব না দেওয়ায় আদালত কর্তৃক রুলও জারি করা হয়। বাদি পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরুর মতে, বাদীর রিটের নিস্পত্তি না করে স্থানীয় সরকার বিভাগ উপ-নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করেছেন। ফলে আদালত নির্বাচন স্থগিত করেন।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, কমিশন কর্তৃক নির্বাচন স্থগিতের একটি আদেশ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্তের আদেশ পাননি বলে জানান তিনি।
Sylhetnewsbd Online News Paper